অনুষ্ঠান নির্মান এবং প্রচারের ক্ষেত্রে মিডিয়ার দায়িত্ব সচেতন হওয়া জরুরী। --মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন এর ব্লগ--আপন ভূবন ব্লগ - আপন প্রতিভার সন্ধানে 



প্রথম পাতা » মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন এর ব্লগ » অনুষ্ঠান নির্মান এবং প্রচারের ক্ষেত্রে মিডিয়ার দায়িত্ব সচেতন হওয়া জরুরী।

অনুষ্ঠান নির্মান এবং প্রচারের ক্ষেত্রে মিডিয়ার দায়িত্ব সচেতন হওয়া জরুরী।

লিখেছেন : মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন       ০৮ জুন ২০১৫ রাত ১০:৪১


২টি মন্তব্য   ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে



কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের কাছে ক্রাইম পেট্রোল বা এ ধরনের অনুষ্ঠানগুলি ভাল লাগার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ভাল লাগছে। বুঝি বা একটু বেশিই ভাল লাগছে। যে কারণে নিত্য নতুন নামে বিভিন্ন চ্যানেল এই অনুষ্ঠান গুলি বানাচ্ছে।
অবাক লাগে যখন দেখি একজন মানুষ কিভাবে আরেকজনকে খুন করেছিল কিংবা ধর্ষণ করেছিল তা দেখতে আমরা উন্মুখ হয়ে বসে থাকি! এটা কি আসলে কোন সুস্থ বিনোদনের পর্যায়ে পড়ে?
এই দৃশ্য কল্প যে আরেকজনকে একই পরিস্থিতিতে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটাতে উদ্বুদ্ধ করছে না তার নিশ্চয়তা কি?

আমরা যখন প্রথম ভারতে বাসে-ট্রেনে ধর্ষণের ঘটনাগুলো শুনতে পেলাম তখন মর্মাহত হওয়ার পাশাপাশি আশ্চর্যও কম হইনি। কেননা ওটা ছিল তখন আমাদের ধারনার বাইরে।
অথচ খেয়াল করুন এখন এ দেশেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে। এটা কি নিছকই কাকতালীয় না কি একজনের অপরাধ করা যে অন্যজনকেও অপরাধ করতে উৎসাহিত করে তার প্রমাণ?
আমাদের মিডিয়া বাঙ্গালির অতি আবেগের রোগে রোগাক্রান্ত। সেটা প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অপ্রয়োজনীয় বাড়াবাড়িই বলে দেয়। আর এই রোগটির সাথে যুক্ত হয়েছে কোন পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই বিদেশী চ্যানেলের অনুষ্ঠান কপি করার বাজে প্রবণতা।

মিডিয়া যদি দায়িত্ববান না হয় তাহলে সমাজে অস্থিরতা বাড়বেই। এটাই স্বাভাবিক। মিডিয়ার দায়িত্বপূর্ণ আচরণ যে কতটা সুফল বয়ে আনে তা তো পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানেই প্রমাণিত হয়েছে।
ঠিক একই ভাবে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায় এমন অনুষ্ঠান নির্মাণ থেকেও তারা বিরত থাকবেন আমরা সেটাই আশা করি।

একটু ভাবুন ক্রাইম ফিকশনগুলির বিপরীতে যদি একটি হত্যাকাণ্ড বা ধর্ষণের পরে ভুক্তভোগী এবং তার পরিবারটির দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠত। যদি দেখান হত, একজন অপরাধীর সাজাপ্রাপ্তি ও তার পরবর্তীতে সেই পরিবারটির সামাজিক অমর্যাদাকর অবস্থা ও তার স্বজনদের মানসিক পীড়ন, নিদারুণ অর্থ কষ্টে পতিত হওয়া। তাহলে হয়ত বা সমাজে ভিন্ন কিছু পরিলক্ষিত হত। সমাজে এত বেশি অসহিস্নুতা, এত বেশি অপরাধ হয়ত দেখা যেত না। কাজেই কর্তাব্যক্তিদের এটা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন আছে।
আমরা চাই আমাদের মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র অর্থ নৈতিক লাভা লাভকেই বিবেচনায় না রেখে আরও অনেক বেশি সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেবে। একটি অনুষ্ঠান নির্মাণ এবং প্রচারের পূর্বে সমাজে তার প্রভাব চিন্তা করবে।

kmgmehadi@gmail.comকোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের কাছে ক্রাইম পেট্রোল বা এ ধরনের অনুষ্ঠানগুলি ভাল লাগার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ভাল লাগছে। বুঝি বা একটু বেশিই ভাল লাগছে। যে কারণে নিত্য নতুন নামে বিভিন্ন চ্যানেল এই অনুষ্ঠান গুলি বানাচ্ছে।
অবাক লাগে যখন দেখি একজন মানুষ কিভাবে আরেকজনকে খুন করেছিল কিংবা ধর্ষণ করেছিল তা দেখতে আমরা উন্মুখ হয়ে বসে থাকি! এটা কি আসলে কোন সুস্থ বিনোদনের পর্যায়ে পড়ে?
এই দৃশ্য কল্প যে আরেকজনকে একই পরিস্থিতিতে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটাতে উদ্বুদ্ধ করছে না তার নিশ্চয়তা কি?

আমরা যখন প্রথম ভারতে বাসে-ট্রেনে ধর্ষণের ঘটনাগুলো শুনতে পেলাম তখন মর্মাহত হওয়ার পাশাপাশি আশ্চর্যও কম হইনি। কেননা ওটা ছিল তখন আমাদের ধারনার বাইরে।
অথচ খেয়াল করুন এখন এ দেশেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে। এটা কি নিছকই কাকতালীয় না কি একজনের অপরাধ করা যে অন্যজনকেও অপরাধ করতে উৎসাহিত করে তার প্রমাণ?
আমাদের মিডিয়া বাঙ্গালির অতি আবেগের রোগে রোগাক্রান্ত। সেটা প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অপ্রয়োজনীয় বাড়াবাড়িই বলে দেয়। আর এই রোগটির সাথে যুক্ত হয়েছে কোন পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই বিদেশী চ্যানেলের অনুষ্ঠান কপি করার বাজে প্রবণতা।

মিডিয়া যদি দায়িত্ববান না হয় তাহলে সমাজে অস্থিরতা বাড়বেই। এটাই স্বাভাবিক। মিডিয়ার দায়িত্বপূর্ণ আচরণ যে কতটা সুফল বয়ে আনে তা তো পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানেই প্রমাণিত হয়েছে।
ঠিক একই ভাবে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায় এমন অনুষ্ঠান নির্মাণ থেকেও তারা বিরত থাকবেন আমরা সেটাই আশা করি।

একটু ভাবুন ক্রাইম ফিকশনগুলির বিপরীতে যদি একটি হত্যাকাণ্ড বা ধর্ষণের পরে ভুক্তভোগী এবং তার পরিবারটির দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠত। যদি দেখান হত, একজন অপরাধীর সাজাপ্রাপ্তি ও তার পরবর্তীতে সেই পরিবারটির সামাজিক অমর্যাদাকর অবস্থা ও তার স্বজনদের মানসিক পীড়ন, নিদারুণ অর্থ কষ্টে পতিত হওয়া। তাহলে হয়ত বা সমাজে ভিন্ন কিছু পরিলক্ষিত হত। সমাজে এত বেশি অসহিস্নুতা, এত বেশি অপরাধ হয়ত দেখা যেত না। কাজেই কর্তাব্যক্তিদের এটা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন আছে।
আমরা চাই আমাদের মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র অর্থ নৈতিক লাভা লাভকেই বিবেচনায় না রেখে আরও অনেক বেশি সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেবে। একটি অনুষ্ঠান নির্মাণ এবং প্রচারের পূর্বে সমাজে তার প্রভাব চিন্তা করবে।

kmgmehadi@gmail.com




মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন অতি সাধারনের একজন। সাধারন মানুষের কথা বলি।
ব্লগ লিখছেন ৪ বছর ৫ মাস ২১ দিন, মোট পোষ্ট ২৫৪টি, মন্তব্য করেছেন ৮০টি,          



এই ধরনের আরো কিছু পোস্ট.


কিরণ মালা সমস্যা নয় সমস্যা হল আমাদের নির্মাতারা ব্যর্থ

আমাদের টিভি চ্যানেলে শিশুরা উপেক্ষিত, উপেক্ষিত মেধা-মনন আর সৃজনশীলতা।

যেন বাস স্ট্যান্ডের সিগারেটের দোকান!

বাংলাদেশ টেলিভিশনের পঞ্চাশ বছর পূর্তি, প্রেক্ষিতে আমাদের চাওয়ার অপ্রাপ্যতা

বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি টেরিস্ট্রোরিয়াল টিভি একুশে টেলিভিশনের অধিকার হরণের ১১ বছর
 

মন্তব্য সমূহঃ

১. ১০ জুন ২০১৫ দুপুর ৩:১৪
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
একদম খাটি কথা বলেছেন মেহেদী ভাই। আসলে প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে একটা পশুও বাস করে। যখন পশুটা মানুষের উপর রাজত্ব করে তখনই এমন অঘট্ন ঘটে। তবে যখন মানুষের মানবিক গুণাবলী পশুত্বকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয় তখনই সে মানুষ। তবে মানুষের অবচেতন মনে সেই পশুটিকে কিন্তু লালন করে তার মনের আজান্তে। তাই নিজে সেই সকল অপরাধ করতে তার মন নিবৃত্ব করলেও অবচেতন মনের সেই পশুটা কিন্তু তার দন্ত বিকশিত করে। আর তখনই ঘট্নার নায়কের ভুমিকায় নিজেকে অবর্তীর্ন করে। এই সকল ক্রাইম করার বিস্তারিত ঘটনা যত কম দেখানো হবে ততই মঙ্গল। এব্যাপারে ইসলাম ধর্ম সুন্দর নির্দেশনা দিয়েছে, ধর্মীয় মূল্যবোধকে লালন করলে মানুষের পশুবৃত্তি দমন হবে বলে আমার বিশ্বাস। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর ও কঠোর ভাবে এই ধরনের কাহিনীর চিত্ররুপ ধারণ ও প্রচারকে নিরুৎসাহিত করার জন্য।


১০ জুন ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৮
মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন জবাবে বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে নূরু ভাই। ভাল থাকুন অনেক ভাল।

মন্তব্য করতে লগিন করুন।

ইমেইল: পাসওয়ার্ড: রেজিস্ট্রেশন করুন